প্রদীপ সাঁতরা -নকল চেক বই-এর পাতা ছাপিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান এবং এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টের সই, স্ট্যাম্প জাল করে ব্যাংক থেকে কয়েক লক্ষ সরকারি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের তৎপরতায় আরও প্রায় চব্বিশ লক্ষ টাকা খোয়া যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেল বলাগর ব্লকের ডুমুরদহ ২নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত।বর্তমানে সাধারণ মানুষকে ভুয়ো ফোন করে অ্যাকাউন্ট নাম্বার কিংবা এটিএম কার্ডের পাসওয়ার্ড জেনে টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ভুরি ভুরি। কিন্তু খোদ গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস থেকে পঞ্চায়েত প্রধান এবং এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টের সই, স্ট্যাম্প জাল করে নকল চেকের পাতা ছাপিয়ে ব্যাংক থেকে কয়েক লক্ষ সরকারি টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা খুব একটা চোখে পড়ে না। ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের তৎপরতায় আরও প্রায় চব্বিশ লক্ষ টাকা খোয়া যাওয়া থেকে রক্ষা পেল। ঘটনাটি বলাগর ব্লকের ডুমুরদহ ২নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের। মঙ্গলবার এ বিষয়ে ডুমুরদহ দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে বলাগড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । এ বিষয়ে এই পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট অশোক কুমার বিশ্বাস বলেন গত ১২ই মার্চ রানাঘাটের ইউবিআই শাখা থেকে আমার কাছে একটি ফোন আসে যেখানে তিনটি চেক নাম্বার দিয়ে বলা হয় ওই চেকগুলি আমি ইস্যু করেছি কি না। তিনটি চেকের সর্বমোট অ্যামাউন্ট প্রায় চব্বিশ লক্ষ টাকা। কিন্তু যে তিনটি চেকের নাম্বার আমাকে দেওয়া হয় সেই নম্বরের সবকটি চেকই পঞ্চায়েত দফতরের আলমারিতে তালাবন্দি হয়ে রয়েছে। এর পরই রানাঘাটের ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের কথামতো আমি তড়িঘড়ি আমাদের পঞ্চায়েতের অ্যাকাউন্ট থাকা ইউবিআই ব্যাঙ্কের ডুমুরদহ ব্রাঞ্চে গিয়ে যোগাযোগ করি। ব্রাঞ্চ ম্যানেজার না থাকায় ডেপুটি ম্যানেজার আমার কথা শুনে তড়িঘড়ি পঞ্চায়েতের অ্যাকাউন্ট থেকে সমস্ত লেনদেন বন্ধ করে দেন । তার পর খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট থাকা মণ্ডল এন্টারপ্রাইজ নামক একটি কোম্পানির নামে ওই ভুয়ো চেকগুলি ইস্যু করা হয়েছিল। জানা যায় এই কম্পানির নামেই গত ৫ই মার্চ রানাঘাটের ইউবিআই ব্রাঞ্চ থেকে ৩,৭০,৭০০ লক্ষ টাকা ভুয়ো চেক ইস্যু করে হাতিয়ে নিয়েছে জালিয়াতকারীরা। আর যেই নাম্বারের চেক ইস্যু করে ওই টাকা হাতানো হয়েছে সেই নম্বরের আসল চেকও পঞ্চায়েতের আলমারি বন্দি। মঙ্গলবার এ বিষয়ে ডুমুরদহ দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে বলাগড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে বলাগর থানার পুলিশ।
প্রদীপ সাঁতরা -নকল চেক বই-এর পাতা ছাপিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান এবং এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টের সই, স্ট্যাম্প জাল করে ব্যাংক থেকে কয়েক লক্ষ সরকারি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের তৎপরতায় আরও প্রায় চব্বিশ লক্ষ টাকা খোয়া যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেল বলাগর ব্লকের ডুমুরদহ ২নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত।বর্তমানে সাধারণ মানুষকে ভুয়ো ফোন করে অ্যাকাউন্ট নাম্বার কিংবা এটিএম কার্ডের পাসওয়ার্ড জেনে টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ভুরি ভুরি। কিন্তু খোদ গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস থেকে পঞ্চায়েত প্রধান এবং এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টের সই, স্ট্যাম্প জাল করে নকল চেকের পাতা ছাপিয়ে ব্যাংক থেকে কয়েক লক্ষ সরকারি টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা খুব একটা চোখে পড়ে না। ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের তৎপরতায় আরও প্রায় চব্বিশ লক্ষ টাকা খোয়া যাওয়া থেকে রক্ষা পেল। ঘটনাটি বলাগর ব্লকের ডুমুরদহ ২নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের। মঙ্গলবার এ বিষয়ে ডুমুরদহ দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে বলাগড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । এ বিষয়ে এই পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট অশোক কুমার বিশ্বাস বলেন গত ১২ই মার্চ রানাঘাটের ইউবিআই শাখা থেকে আমার কাছে একটি ফোন আসে যেখানে তিনটি চেক নাম্বার দিয়ে বলা হয় ওই চেকগুলি আমি ইস্যু করেছি কি না। তিনটি চেকের সর্বমোট অ্যামাউন্ট প্রায় চব্বিশ লক্ষ টাকা। কিন্তু যে তিনটি চেকের নাম্বার আমাকে দেওয়া হয় সেই নম্বরের সবকটি চেকই পঞ্চায়েত দফতরের আলমারিতে তালাবন্দি হয়ে রয়েছে। এর পরই রানাঘাটের ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের কথামতো আমি তড়িঘড়ি আমাদের পঞ্চায়েতের অ্যাকাউন্ট থাকা ইউবিআই ব্যাঙ্কের ডুমুরদহ ব্রাঞ্চে গিয়ে যোগাযোগ করি। ব্রাঞ্চ ম্যানেজার না থাকায় ডেপুটি ম্যানেজার আমার কথা শুনে তড়িঘড়ি পঞ্চায়েতের অ্যাকাউন্ট থেকে সমস্ত লেনদেন বন্ধ করে দেন । তার পর খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট থাকা মণ্ডল এন্টারপ্রাইজ নামক একটি কোম্পানির নামে ওই ভুয়ো চেকগুলি ইস্যু করা হয়েছিল। জানা যায় এই কম্পানির নামেই গত ৫ই মার্চ রানাঘাটের ইউবিআই ব্রাঞ্চ থেকে ৩,৭০,৭০০ লক্ষ টাকা ভুয়ো চেক ইস্যু করে হাতিয়ে নিয়েছে জালিয়াতকারীরা। আর যেই নাম্বারের চেক ইস্যু করে ওই টাকা হাতানো হয়েছে সেই নম্বরের আসল চেকও পঞ্চায়েতের আলমারি বন্দি। মঙ্গলবার এ বিষয়ে ডুমুরদহ দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে বলাগড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে বলাগর থানার পুলিশ।
