প্রদীপ সাঁতরা...... বাড়ি থেকে পালিয়ে পুলিশের তৎপরতায় বাবা-মায়ের কাছে ফিরলো কিশোর। খানাকুলের সেনহাট গ্রামের বাসিন্দা রানা সিংহরায় । গোবরা হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। বাবা রমেশ সিংহরায় । পেশায় কৃষক। একাদশ শ্রেণির ছাত্রী এক কন্যা ও অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র রানা ও স্ত্রী বন্দনাকে নিয়ে তার পরিবার। রানা জানায় বাড়ির আলমারিতে ১০,০০০ টাকা রাখা ছিল। সেই টাকা থেকে ২০০ টাকা চুরির অপরাধে বকাবকি করে মা
বন্দনা সিংহরায়। অভিমানে মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় রানা। খানাকুল থেকে বাস ধরে তারকেশ্বরে চলে আসে। তারকেশ্বর বাসস্ট্যান্ডে এসে দিশাহীন ভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে কর্তব্যরত সিভিক ভলান্টিয়ারদের নজরে আসে। তৎক্ষণাৎ ছেলেটিকে ডেকে কথা বলে জানতে পারে বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছে সে। তারকেশ্বর থানা থেকে পরিবারকে খবর দেওয়া হলে বাবা রমেশ সিংহ রায় তারকেশ্বর থানা থেকে তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যায়। রমেশবাবু জানান"আলু বিক্রির ১০,০০০ টাকা আলমারিতে ছিল। তা থেকে দুশো টাকা নিয়ে খরচা করে ফেলে রানা। জানতে পেরে আমি প্রচন্ড বকাবকি করি ওকে। অভিমানে বাড়ি ছাড়ে সে। তারকেশ্বর থানার পুলিশকে অনেক ধন্যবাদ আমার ছেলেকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য।
বন্দনা সিংহরায়। অভিমানে মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় রানা। খানাকুল থেকে বাস ধরে তারকেশ্বরে চলে আসে। তারকেশ্বর বাসস্ট্যান্ডে এসে দিশাহীন ভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে কর্তব্যরত সিভিক ভলান্টিয়ারদের নজরে আসে। তৎক্ষণাৎ ছেলেটিকে ডেকে কথা বলে জানতে পারে বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছে সে। তারকেশ্বর থানা থেকে পরিবারকে খবর দেওয়া হলে বাবা রমেশ সিংহ রায় তারকেশ্বর থানা থেকে তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যায়। রমেশবাবু জানান"আলু বিক্রির ১০,০০০ টাকা আলমারিতে ছিল। তা থেকে দুশো টাকা নিয়ে খরচা করে ফেলে রানা। জানতে পেরে আমি প্রচন্ড বকাবকি করি ওকে। অভিমানে বাড়ি ছাড়ে সে। তারকেশ্বর থানার পুলিশকে অনেক ধন্যবাদ আমার ছেলেকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য।
Tags
state
