প্রদীপ সাঁতরা.. -ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ উঠল কোন্নগড়ে। ড্রাফ্ট এবং ক্যাশ মিলিয়ে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ উঠল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কোন্নগড় কানাইপুর ব্রাঞ্চের ম্যানেজার অবিনাশ কুমারের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী উত্তরপাড়া থানার অন্তর্গত কানাইপুর কলোনির বাসিন্দা সৌমেন দাস। এ বিষয়ে সৌমেনবাবু শ্রীরামপুর আদালতে কোর্ট কমপ্লেন এফআইআর দায়ের করেছেন। সৌমেনবাবুর বলেন "গত ২৪শে জানুয়ারি তিনি নিজের একটি জমি বিক্রি করেন অন্য এক ব্যক্তির কাছে। উত্তরপাড়া রেজিস্ট্রি অফিসে সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ ব্যাংক ম্যানেজার অবিনাশ কুমার সৌমেনবাবুর হাত থেকে সেই জমির দাম বাবদ সাড়ে তিন লক্ষ টাকার ড্রাফ্ট এবং ১ লক্ষ্য ১৭ হাজার টাকার ক্যাশ গ্রহণ করেন। কথা ছিল পরের দিন ব্যাঙ্ক খুলতেই সেই ড্রাফট ও ক্যাশ তিনি জমা করবেন। অভিযোগ তিন মাস কেটে গেলেও সেই ড্রাফ্ট কিংবা ক্যাশ কিছুই জমা করা হয়নি । নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তিনি মাত্র ১২৬৬ টাকা জমা করেছেন। বাকি টাকা উধাও। সৌমেনবাবু খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারেন গত জানুয়ারি মাসের ২৯ তারিখ সাড়ে তিন লক্ষ টাকার ড্রাফট ক্লিয়ার হয়ে গেছে। বারংবার ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের সাথে এ বিষয় দেখা করলে সৌমেনবাবুকে ম্যানেজার দিনের পর দিন ঘোরাতে থাকেন । অবশেষে দেরিতে হলেও সৌমেনবাবুর বুঝতে অসুবিধা হয়নি তার সাথে প্রতারণা করেছেন ব্যাংক ম্যানেজার অবিনাশ কুমার । এরপর প্রমাণপত্র নিয়ে সৌমেনবাবু আদালতের দ্বারস্থ হন। এ বিষয়ে অবিনাশ কুমারের বিরুদ্ধে কোর্ট কমপ্লেন এফআইআর দায়ের করা হয় । অবিনাশবাবুর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় প্রতারণার মামলা রুজু করা হয়েছে। যদিও আজ ব্যাংক বন্ধ থাকায় অবিনাশ কুমারের কাছ থেকে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে খবর জানাজানি হতে গোটা কানাইপুর চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন খোদ ব্যাঙ্ক ম্যানেজার যদি গ্রাহকদের সাথে এভাবে প্রতারণা করেন তা হলে মানুষ আর কাকে বিশ্বাস করবে ?
Tags
state
