প্রদীপ সাঁতরা... আজ -শুক্রবার থেকে শুরু হলো তারকেশ্বরে গাজন মেলা। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত সহ বাংলাদেশ ও অন্যান্য জায়গা থেকেও মানুষ এই সময় ভিড় করে তারকেশ্বর মন্দিরে। চৈত্র মাসের ১ তারিখে ভক্তরা তারকেশ্বর মন্দিরের দুধ পুকুরে স্নান করে গলায় উত্তরিপরে পুজো দিয়ে সন্যাস গ্রহণ করে। এক মাস সন্ন্যাস ব্রত পালন করে ভক্তরা। কি কারনে এই সন্ন্যাসব্রত? আমরা জানতে চেয়েছিলাম তারকেশ্বরের মন্দিরের পুরোহিত সন্দীপ চক্রবর্তীর কাছে। তিনি জানান"তারকেশ্বর মন্দিরের চৈত্র মাসের ১ তারিখ থেকে চৈত্র মাসের শেষ দিন পর্যন্ত সন্ন্যাস ধর্ম গ্রহণ করে ভক্তরা। গোটা চৈত্র মাস ব্যাপী সন্ন্যাস ধর্ম গ্রহণ করে। পূর্বে বাণরাজা ছিলেন তিনি এই সন্ন্যাস ধর্মের সূচনা করেছিলেন। তারকাসুর যখন প্রবল প্রতাপে স্বর্গরাজ্য অধিকার করছে ,দিশেহারা হয়ে পড়েছিল স্বর্গরাজ্য। তারকাসুরের বর ছিল শুধুমাত্র শৈবপুত্রই তাকে হত্যা করতে পারবে। কিন্তু শিবতো তখনও বিয়ে করনি। শিব তখন যোগাসনে বসে রয়েছেন। তার কাছে কামদেব কে পাঠানো হয়েছে পার্বতী তপস্যা করছেন। শিবও পুত্র না হলে তারকাসুরকে কেউ বধ করতে পারবেন না। ভক্তদের প্রতি সদয় যে দেবতা তিনি হচ্ছেন শিব। তাই ভক্তদেরকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল শিবকে বিবাহে রাজি করানোর জন্য। তোমরাও শিবের মতো সন্ন্যাসী হয়ে যাও সংসার ছেড়ে। ভক্তরা সন্ন্যাস হয়ে গিয়েও যখন শিব তুস্ট হলেন না তখন ভক্তরা মহাহব্বিশি করেন । দাঁতে একটা চাল কেটে ফেলে দিয়েছিল ভক্তরা তার পরদিন পাহাড় থেকে ঝাঁপ দেবে বলে ঠিক করে সেদিন হল ঝাপ। এরপর দিন শিবের সঙ্গে পার্বতীর বিবাহ হয়। সংসার আবার অশুভ শক্তির হাত থেকে রক্ষা পায়। সেই থেকেই সন্ন্যাস গ্রহণের প্রচলন রয়েছে। এই একমাস নিজের গোত্র পরিত্যাগ করে শিবের গোত্র ধারণ করে ভক্তরা।" মেলাকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সবসময়ের মত রয়েছে সিসি টিভির বিশেষ ব্যবস্থা। দুধ পুকুরে থাকছে অতিরিক্ত নজরদারি। সাদা পোশাকের পুলিশ,প্রত্যেকটি গেটে থাকছে অতিরিক্ত পুলিশি ব্যবস্থা। স্বাস্থ্য শিবির, নিরুদ্দেশ প্রতি ঘোষণার জন্য ক্যাম্প। অস্থায়ী ছাউনী ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য তারকেশ্বর পৌরসভা দিনে ও রাতে বিশেষ ব্যবস্থা করেছেন।
প্রদীপ সাঁতরা... আজ -শুক্রবার থেকে শুরু হলো তারকেশ্বরে গাজন মেলা। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত সহ বাংলাদেশ ও অন্যান্য জায়গা থেকেও মানুষ এই সময় ভিড় করে তারকেশ্বর মন্দিরে। চৈত্র মাসের ১ তারিখে ভক্তরা তারকেশ্বর মন্দিরের দুধ পুকুরে স্নান করে গলায় উত্তরিপরে পুজো দিয়ে সন্যাস গ্রহণ করে। এক মাস সন্ন্যাস ব্রত পালন করে ভক্তরা। কি কারনে এই সন্ন্যাসব্রত? আমরা জানতে চেয়েছিলাম তারকেশ্বরের মন্দিরের পুরোহিত সন্দীপ চক্রবর্তীর কাছে। তিনি জানান"তারকেশ্বর মন্দিরের চৈত্র মাসের ১ তারিখ থেকে চৈত্র মাসের শেষ দিন পর্যন্ত সন্ন্যাস ধর্ম গ্রহণ করে ভক্তরা। গোটা চৈত্র মাস ব্যাপী সন্ন্যাস ধর্ম গ্রহণ করে। পূর্বে বাণরাজা ছিলেন তিনি এই সন্ন্যাস ধর্মের সূচনা করেছিলেন। তারকাসুর যখন প্রবল প্রতাপে স্বর্গরাজ্য অধিকার করছে ,দিশেহারা হয়ে পড়েছিল স্বর্গরাজ্য। তারকাসুরের বর ছিল শুধুমাত্র শৈবপুত্রই তাকে হত্যা করতে পারবে। কিন্তু শিবতো তখনও বিয়ে করনি। শিব তখন যোগাসনে বসে রয়েছেন। তার কাছে কামদেব কে পাঠানো হয়েছে পার্বতী তপস্যা করছেন। শিবও পুত্র না হলে তারকাসুরকে কেউ বধ করতে পারবেন না। ভক্তদের প্রতি সদয় যে দেবতা তিনি হচ্ছেন শিব। তাই ভক্তদেরকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল শিবকে বিবাহে রাজি করানোর জন্য। তোমরাও শিবের মতো সন্ন্যাসী হয়ে যাও সংসার ছেড়ে। ভক্তরা সন্ন্যাস হয়ে গিয়েও যখন শিব তুস্ট হলেন না তখন ভক্তরা মহাহব্বিশি করেন । দাঁতে একটা চাল কেটে ফেলে দিয়েছিল ভক্তরা তার পরদিন পাহাড় থেকে ঝাঁপ দেবে বলে ঠিক করে সেদিন হল ঝাপ। এরপর দিন শিবের সঙ্গে পার্বতীর বিবাহ হয়। সংসার আবার অশুভ শক্তির হাত থেকে রক্ষা পায়। সেই থেকেই সন্ন্যাস গ্রহণের প্রচলন রয়েছে। এই একমাস নিজের গোত্র পরিত্যাগ করে শিবের গোত্র ধারণ করে ভক্তরা।" মেলাকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সবসময়ের মত রয়েছে সিসি টিভির বিশেষ ব্যবস্থা। দুধ পুকুরে থাকছে অতিরিক্ত নজরদারি। সাদা পোশাকের পুলিশ,প্রত্যেকটি গেটে থাকছে অতিরিক্ত পুলিশি ব্যবস্থা। স্বাস্থ্য শিবির, নিরুদ্দেশ প্রতি ঘোষণার জন্য ক্যাম্প। অস্থায়ী ছাউনী ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য তারকেশ্বর পৌরসভা দিনে ও রাতে বিশেষ ব্যবস্থা করেছেন।
