প্রতিনিধি,মুক্তিযোদ্ধাঃ-
পাঁচ রাজ্যের মধ্যেই চার রাজ্যে বিজেপির বড় জয়! ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়েই উত্তরপ্রদেশের ফের একবার যোগী আর তা স্পষ্ট। আর এই ফলাফল সামনে আসার পরেই দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে পৌঁছে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।শুধু যাওয়া নয়, কর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রায় এক ঘন্টা বক্তব্য রাখেন। যুদ্ধ থেকে একাধিক বিষয়ে তাঁর বক্তব্য বিজেপি নেতা-কর্মীদের উপর তুলে ধরেন তিনি। মোদী বলেন, আজ উৎসবের দিন। কর্মীরা সাধারণ মানুষের হৃদয় জেতার জন্যে সব চেষ্টা চালিয়েছেন।আর তা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালের নির্বাচনের পর কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বলেছিলেন, ২০১৭ সালের ফলাফলই ২০১৯ সালের ফলাফল চূড়ান্ত করে দিয়েছিল। আর তা যদি হয় তাহলে ২০২২ এর এহেন ফলাফলই ২০২৪ এর ফল চূড়ান্ত করে দিয়েছে।অর্থাৎ আগামী লোকসভা নির্বাচনে যে ফের একবার বিজেপিই ক্ষমতায় আসছে তা স্পষ্ট ইঙ্গিত তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর বক্তব্যে। বলে রাখা প্রয়োজন, দেশের মধ্যে সবথেকে বড় রাজ্য উত্তরপ্রদেশ। রাজনৈতিকমহলের ব্যাখ্যা উত্তরপ্রদেশ ভোটের ফলাফল অনেক কিছু নির্ভর করে। বিশেষ করে দিল্লির মসনদে কে আসতে পারে তার একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায়। আর সেই ইঙ্গিতের কথাই তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, উত্তরপ্রদেশ দেশকে অনেক প্রধানমন্ত্রী দিয়েছে। কিন্তু কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে দ্বিতীয়বারের জন্যে জেতানো ৩৭ বছর পর একটি ইতিহাস তৈরি হতে চলেছে। আর এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যে সমস্ত ভোটারদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
এই নির্বাচনে সবথেকে বড় হেরো মমতা,আক্রমণ মালব্যর
তিনি বলেন, বিজেপির নেতা-কর্মীরা আমায় কথা দিয়েছিলেন এবার হোলি ১০ মার্চ থেকেই শুরু হয়ে যাবে। দক্ষ কর্মীরা তাঁদের কথা রেখছেন। আর তা রাখার জন্যে নেতা জন্যে নেতা-কর্মীদের প্রশংসা করতে ভোলেননি মোদী অন্যদিকে পরিবার তন্ত্র নিয়ে ফের একবার তোপ দাগেন নরেন্দ্র মোদী। বলেন, আমি কোনও বিশেষ পরিবারের বিরুদ্ধে নয় কিন্তু এই পরিবারবাদ একাধিক রাজ্যের ক্ষতি করেছে। আমি যা বলছি তা লিখে রাখুন, বিশ্বাস করুন একদিন দেশের মানুষ এই পরিবারবাদের রাজনীতিকে শেষ করবে। সূর্যাস্ত হবে বলেও তোপ প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে নাম না করেও একাধিক রাজনৈতিকদলকে আক্রমণ শানিয়েছেন। আর্থিক কেলেঙ্কারির তদন্তে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্ত নিয়েও আক্রমণ শানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন গরীব মানুষের ঘর পর্যন্ত যোজনার সুবিধা পৌঁছে যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় পুরুষদের থেকে বেশি মা-বোনেরা ভোট পেয়েছে। শুধু তাই নয়, এনারাই বিজেপিকে ভরসা করছে বলেও মন্তব্য করেন আজ।