প্রতিনিধি:-
গত কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বকেয়া টাকা মেটানোর দাবি তুলে এই চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এর মধ্যেই এবার পালটা রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দু অধিকারীর।বেশ কয়েকটি বিষয়ে রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে সরাসরি নালিশ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। আর তা নিয়েই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক বিতর্ক। শুভেন্দুর চিঠি নিয়ে তীব্র তোপ শাসকদলের।চিঠিতে বেশ কয়েকটি বিষয় থাকলেও, দুটি বিষয়কে মাথায় রেখেই শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রীকে এই চিঠি দিয়েছেন। ১০০ দিনের কাজ এবং প্রধানমন্ত্রী আবাজ যোজনা'য় বাংলায় ঠিক বাস্তব ছবিটা কি সেটাই প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে তুলে ধরেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি লিখছেন, ৩২ লাখ বাড়ি বাংলায় তৈরি হয়েছে। আর তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যে মেনে নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের এই বিষয়ে বিশাল ফান্ড আসার পরেও কোনও প্রশংসা নেই রাজ্য প্রশাসনের তরফে।শুধু তাই নয়, বাংলায় প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনা'র নামও বদলে দেওয়া হয়েছে বলে এদিন মোদীর কাছে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, কেন্দ্রের টাকা বাংলা আবাস যোজনা নামে চালানো হচ্ছে। এমনকি সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ছবি বসাচ্ছে বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতা। যা নীতি'র বিরুদ্ধে বলে দাবি। ফলে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেন, অন্যদিকে ১০০ দিনের কাজ নিয়েও রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নন্দীগ্রামের এই বিধায়ক। এই কাজের মাধ্যমে তৃণমূলের ছোট-মাঝারি নেতারা তোলা তুলছে বলে অভিযোগ তাঁর। ১০০ দিনের কাজ হচ্ছে বলে দেখানো হলেও আদৌতে কিছু হয় না বলেও অভিযোগ। শ্রমিকদের কাছে কোনও টাকা যায় না বলেই দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। নাম বদলে শুধু একই কাজ দেখানো হয় বলেও অভিযোগ তাঁর। এছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি বিষয়কে মোদীকে লেখা চিঠিতে তুলে ধরেছেন এই বিজেপি নেতা। আর তা নিয়েই যাবতীয় বিতর্ক।১০০ দিনের কাজ নিয়ে গত কয়েকদিন আগেই চিঠি লেখেন মমতা। বলেন, চারমাস ধরে টাকা দেওয়া হচ্ছে না, বকেয়া টাকা মেটানোর দাবি করেছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, আবাস যোজনার টাকাও কেন্দ্র দিচ্ছে না বলে অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যার ফলে বাংলায় কাজ আটকে আছে বলেও প্রধানমন্ত্রীকে জানান তিনি। কেন্দ্র অমানবিক কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন প্রশাসনিক প্রধান । আর এই বিতর্কের মধ্যেই এবার পালটা মোদীকে চিঠি শুভেন্দুর।
