গৌতম ঘোষ-- সোমবার হাওড়ার শৈলেনমান্না স্টেডিয়ামে প্রথমবার সিনিয়ার জাতীয় ফুটবলের আয়োজন হলো সন্তোষ ট্রফির টুনামেন্টের বাংলা ও মণিপুরের ম্যাচ দিয়ে।প্রথম বার জাতীয় সিনিয়ার ফুটবলের খেলা অনুষ্টিত হতে চলেছে বলে হাওড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থা স্টেডিয়ামে বাইরে নানা রকম পোষ্টার দিয়ে সাজিয়ে তুলেছিল দর্শকদের জন্য এছাড়াও প্রচুর পরিমানে দর্শক এসে খেলা দেখুক এর জন্য কোনো রকম টিকিট রাখেন নি কিন্তু ভরা দুপুর ৩টে থেকে এই গরমে খেলা থাকার দরুন কর্মকর্তারা দর্শক আসন ভরাতে পারেন নি।খেলার আগে বাংলার কোচ রঞ্জন চৌধুরি বেশ টেনশনে ছিলেন কারণ ফুটবলারদের একসাথে তেমন পায়নি এদিকে ভেবেছিলেন পাহাড়ি ছেলেরা তাদের খেলার দৌড়ে পিছনে ফেলে দেবে কিন্তু এবারের বাংলার খেলোয়াড়রা প্রত্যেকেই নিজের নিজের ক্লাবের খেলার মধ্যেই ছিল তাই আর চিন্তার অবকাশ রাখলো না কোচকে হাসতে হাসতে হেলায় উড়িয়ে দিলো মণিপুরকে ৩-০ গোলে।আজ খেলোয়াড়রা মিস না করলে গোলের বন্যা বইয়ে দিতে পারতেন সুমিত,বিদ্যাসাগররা মণিপুরকে
গৌতম ঘোষ-- সোমবার হাওড়ার শৈলেনমান্না স্টেডিয়ামে প্রথমবার সিনিয়ার জাতীয় ফুটবলের আয়োজন হলো সন্তোষ ট্রফির টুনামেন্টের বাংলা ও মণিপুরের ম্যাচ দিয়ে।প্রথম বার জাতীয় সিনিয়ার ফুটবলের খেলা অনুষ্টিত হতে চলেছে বলে হাওড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থা স্টেডিয়ামে বাইরে নানা রকম পোষ্টার দিয়ে সাজিয়ে তুলেছিল দর্শকদের জন্য এছাড়াও প্রচুর পরিমানে দর্শক এসে খেলা দেখুক এর জন্য কোনো রকম টিকিট রাখেন নি কিন্তু ভরা দুপুর ৩টে থেকে এই গরমে খেলা থাকার দরুন কর্মকর্তারা দর্শক আসন ভরাতে পারেন নি।খেলার আগে বাংলার কোচ রঞ্জন চৌধুরি বেশ টেনশনে ছিলেন কারণ ফুটবলারদের একসাথে তেমন পায়নি এদিকে ভেবেছিলেন পাহাড়ি ছেলেরা তাদের খেলার দৌড়ে পিছনে ফেলে দেবে কিন্তু এবারের বাংলার খেলোয়াড়রা প্রত্যেকেই নিজের নিজের ক্লাবের খেলার মধ্যেই ছিল তাই আর চিন্তার অবকাশ রাখলো না কোচকে হাসতে হাসতে হেলায় উড়িয়ে দিলো মণিপুরকে ৩-০ গোলে।আজ খেলোয়াড়রা মিস না করলে গোলের বন্যা বইয়ে দিতে পারতেন সুমিত,বিদ্যাসাগররা মণিপুরকে
