প্রতিবেশীর বাড়ির নোংরা জল আসার প্রতিবাদ, প্রৌঢ়াকে ভোজালির কোপ

প্রতিনিধি মুক্তিযোদ্ধা - প্রদীপ সাঁতরা -প্রতিবেশীর সেপটিক ট্যাঙ্কের নোংরা জল  বাড়িতে আসার প্রতিবাদ করায়   প্রৌঢ়ারকে  মারধরের অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে খবর রবিবার  বাড়িতে নোংরা জল আসাকে নিয়ে কেন্দ্র করে  বচসার জেরে এক প্রৌঢ়াকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ উঠল প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় ভোজালির কোপে ওই প্রৌঢ়ার বাঁহাতের কনিষ্ঠাঙ্গুলি ক্ষত বিক্ষত হয়ে যায়।এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপাড়া থানার অন্তর্গত মাকলা ঘোষপাড়ায়। আহত ওই প্রৌঢ়ার নাম শিবানী ঘোষ(৫৯)। ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে উত্তরপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ঐ  প্রৌঢ়া। যদিও ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত জহরলাল রক্ষিত । অভিযোগ দীর্ঘ দিন পাশের বাড়ির সেপটি ট্যাংকের দূষিত জল শিবানী দেবীর বাড়িতে এসে পড়ত। এ নিয়ে বারংবার বলা সত্ত্বেও কোনও সুরাহা হয়নি । রবিবার দূষিত জল পুনরায় ঘোষ  বাড়িতে পড়ার পর প্রতিবাদ করেন শিবানী ঘোষের স্বামী। অভিযোগ তা নিয়েই বচসার সূত্রপাত। এরপর শিবানীদেবীর স্বামীকে জহরলাল মারতে উদ্যত হয় । সে সময় শিবানীদেবী স্বামীকে বাঁচাতে  গেলে তাকেও প্রতিবেশী জহরলাল  বেধড়ক মারধর করে । ভোজালি দিয়ে তার উপরে আঘাত করা হয়। নিজেকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর বাঁ হাতের একটি আঙুলের উপরে ভোজালির কোপ পড়ে।  তাঁদের চিৎকারে তড়িঘড়ি স্থানীয়রা বেরোলে চম্পট দেয় অভিযুক্ত । শিবানী দেবীকে উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে।শিবানী দেবী জানান"দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিবেশীর নোংরা জল আমাদের বাড়িতে আসছিল। সে বিষয়ে আমার স্বামী প্রতিবাদ করায় তাকে মারতে উদ্যত হয়  জহরলাল রক্ষিত। স্বামীকে বাঁচাতে গেলে আমার ওপর চড়াও হয়। মারতে মারতে আমাকে টানতে টানতে নিয়ে আসে। আমার শরীর থেকে কাপড় খুলে যায়। হঠাৎই একটা ধারালো অস্ত্র  দিয়ে আমায়  আঘাত করে। বাধা দিতে গেলে আমার আঙ্গুলে আঘাত লাগে।" এরপর উত্তরপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত জহরলাল রক্ষিত । প্রৌঢ়ার  অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্তে নেমেছে উত্তর পাড়া থানার পুলিশ।
নবীনতর পূর্বতন