নড়বড়ে ব্রিজের পিলার ভেঙে আস্ত ব্রিজ খালের জলে। যার জেরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লো গ্রামীণ হাওড়ার জগৎবল্লভপুর এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা।
স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল জগৎবল্লভপুর খাঁড়া পাড়ার সেতুটি। মঙ্গলবার সাত সকালে হঠাতি টলমল করতে থাকায় যাতায়াত বন্ধ করে দেয় এলাকাবাসী। কিছু সময়ের মধ্যেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ব্রিজটি। এ দৃশ্য যে হবে এলাকাবাসী বুঝে গিয়েছিল। স্বভাবতই ক্ষোভ ঝড়ে পরে পঞ্চায়েতের দিকে। স্থানীয়দের কথায় ব্রিজটি সংস্কারের কথা বারেবারে বলা হলেও কর্ণপাত করেনি কেউ। রাতের অন্ধকারে মাটি তোলার ফলেই পিলার নড়বড়ে হয়ে পড়ে। যার ফল আজ থেকে পাবে ১০-১২ টি গ্রামের মানুষজন। এবার থেকে তিন-চার কিলোমিটার ঘুরে প্রতিদিন যাতায়াত করতে হবে।
সিমেন্টের চাতাল ঠিক থাকলেও পিলারের পাশের মাটি সরে যাওয়ায় পুরনো ব্রিজটি নড়বড়ে হয়ে পড়েছিল। তবুও তার উপর দিয়েই যাতায়াত করছিল ৬টি পঞ্চায়েতের কয়েক হাজার মানুষ, কিন্তু মঙ্গলবার আর সাধ দিল না। হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল কানা নদীর উপর ব্রিজটি। বিচ্চিন্ন হয়ে পড়ল কানা নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দারা। এখন থেকে তিন-চার কিলোমিটার ঘুরে প্রতিদিন যাতায়াত করতে হবে।
স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল জগৎবল্লভপুর খাঁড়া পাড়ার সেতুটি। মঙ্গলবার সাত সকালে হঠাতি টলমল করতে থাকায় যাতায়াত বন্ধ করে দেয় এলাকাবাসী। কিছু সময়ের মধ্যেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ব্রিজটি। এ দৃশ্য যে হবে এলাকাবাসী বুঝে গিয়েছিল। স্বভাবতই ক্ষোভ ঝড়ে পরে পঞ্চায়েতের দিকে। স্থানীয়দের কথায় ব্রিজটি সংস্কারের কথা বারেবারে বলা হলেও কর্ণপাত করেনি কেউ। রাতের অন্ধকারে মাটি তোলার ফলেই পিলার নড়বড়ে হয়ে পড়ে। যার ফল আজ থেকে পাবে ১০-১২ টি গ্রামের মানুষজন। এবার থেকে তিন-চার কিলোমিটার ঘুরে প্রতিদিন যাতায়াত করতে হবে।
সিমেন্টের চাতাল ঠিক থাকলেও পিলারের পাশের মাটি সরে যাওয়ায় পুরনো ব্রিজটি নড়বড়ে হয়ে পড়েছিল। তবুও তার উপর দিয়েই যাতায়াত করছিল ৬টি পঞ্চায়েতের কয়েক হাজার মানুষ, কিন্তু মঙ্গলবার আর সাধ দিল না। হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল কানা নদীর উপর ব্রিজটি। বিচ্চিন্ন হয়ে পড়ল কানা নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দারা। এখন থেকে তিন-চার কিলোমিটার ঘুরে প্রতিদিন যাতায়াত করতে হবে।
