অধ্যক্ষার অভিযোগ কলেজের জিমের মধ্যেই প্রশিক্ষক দিলীপ দাসকে কলেজের কিছু ছাত্র বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে মারধর করে।ব্যাপক মারধর করা হয় তাকে।তার মোবাইলটিও ছিনতাই করে নেওয়া হয়।মঙ্গলবার ছিল দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা।অধ্যক্ষা বলেন, 'পরীক্ষার মাঝে এদিন সকালে কিছু ছাত্র বহিরাগত নিয়ে কলেজের কমন রুমে ঢুকে পড়ে।তিনি তাদেরকে বের করে দেন।এদিন বিকেল ৫ টায় পরীক্ষা শেষ হতেই ওই একদল বহিরাগত ও কলেজের কয়েকজন পড়ুয়া তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নাম করে কলেজের প্রধান গেটে তালা লাগিয়ে দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে'।বিক্ষোভরত ছাত্রদের অভিযোগ পানিহাটি কলেজের ভিতর এখন সন্ধ্যে নামলেই মদের আসর বসে।আর তাছাড়া জিমের প্রশিক্ষকের সঙ্গে যোগসাজশ করে রাত ৯ টা পর্যন্ত চলছে জিম।শুধু তাই নয়,জিমের প্রশিক্ষকের সঙ্গে অধ্যক্ষার সম্পর্কও মধুর।এরই প্রতিবাদে তারা বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন।বেশকিছুক্ষণ ধরে বিক্ষোভ চলার পর অধ্যক্ষা খবর দেন পুলিশে।খবর পেয়ে ঘোলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।তারা কথা বলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে। প্রায় তিন ঘণ্টা পর কলেজ ঘেরাও মুক্ত করে পুলিশ।এদিকে যেসব অভিযোগ তুলে এদিন ঘেরাও করা হয়েছে তার সবটাই ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন কলেজ অধ্যক্ষা মুক্তি গাঙ্গুলী।তিনি বলেন,'বিকেল ৫ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত কলেজে জিম চালানোর বিষয়টি পরিচালন সমিতির মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়।তবে এসব কোনও বিষয় নয়।আসলে মূল বিষয় হল কলেজে ৯ জন অশিক্ষক কর্মীর পদ খালি রয়েছে।সেখানে নিয়ম মেনে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।যেটিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।শুধু তাই নয় বিক্ষোভকারীদের মনোনীতদেরই নিয়োগ করতে হবে বলে তার উপর চাঁপ সৃষ্টি করা হচ্ছে স্থানীয় স্তর থেকেই।এর পাশাপাশি কদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা চলাকালীন কলেজের কিছু ছাত্র বহিরাগতদের নিয়ে পরীক্ষার হলে ঢোকারও দাবি জানাচ্ছিল।
Tags
state
