গোঘাট পরিদর্শনে জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিদল

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ  বিশ্বের দরবারে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র গোঘাটের কামারপুকুরের উন্নয়ন সাধনের জন্য পরিদর্শন করে গেলেন হুগলি জেলা প্রশাসনের এক প্রতিনিধিদল। আজ বুধবার (28.03.18)জেলা প্রতিনিধি দলের সদস্যরা গোঘাট (২ নম্বর) বিডিও অফিসে এক বৈঠক করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হুগলির জেলাশাসক সঞ্জয় বনশাল, অতিরিক্ত জেলাশাসক ( সাধারণ) প্রদীপ আচার্য, আরামবাগের মহকুমাশাসক প্রীতি  গোয়েল, গোঘাট (২)  বিডিও অরিজিৎ দাস,  পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি পুতুল  মুর্মু, আরামবাগ মহকুমা পূর্ত দফতরের আধিকারিক নিরঞ্জন ভর সহ স্থানীয় আধিকারিকগন। বৈঠক শেষে প্রতিনিধিদল  আরামবাগ বাইপাস এলাকা পরিদর্শন করেন। উল্লেখ্য এখানে ১৫ কোটি টাকা ব্যয় এক অত্যাধুনিক বাসস্ট্যান্ড গড়ে ওঠার কথা। আধুনিক বাসস্ট্যান্ডের নকশা  জেলাশাসকে দেখানো হয়। এখান থেকে বেরিয়ে প্রতিনিধিদল শ্রীপুরে সুকান্ত পার্ক ঘুরে দেখেন। এই পার্কের সৌন্দর্য নতুন করে গড়ে তোলার জন্য তারা বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এলাকায় একটি স্টেডিয়াম তৈরির আর্জি জানান  জেলাশাসকে ,সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান জেলাশাসক। এরপর কামারপুকুর মঠ পরিদর্শন করেন জেলা প্রতিনিধি দল। সেখানে কামারপুকুর মঠের সার্বিক উন্নয়নের জন্য মঠ কর্তৃপক্ষের সাথে বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। প্রসঙ্গত  গত ২০শে মার্চ হুগলির গুড়াপে প্রশাসনিক বৈঠকে গোঘাটের বিধায়ক মানুষ মজুমদার অভিযোগ তোলেন বেশকিছু সিপিআইএমের সদস্য গোঘাট ভাবাদিঘি তে রেললাইন প্রকল্পের বাধা সৃষ্টি করছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে সমস্ত মানুষ রেললাইনে বাধা সৃষ্টি করছে তাদের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন আমরা দেবো তার পরেও যারা এই ধরনের বাধা সৃষ্টি করছে তারা কোনদিনই উন্নয়ন চায় না। তিনি বিশেষভাবে দায়িত্ব দেন  জেলাশাসককে এই বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য । ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা গোঘাট এলাকার সার্বিক উন্নয়নের  মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের চাপে ফেলতে চাইছে প্রশাসন । সার্বিক উন্নয়নের পরও রেললাইনে বাধা সৃষ্টিকরলে এলাকার মানুষের জনসমর্থন হারাবে আন্দোলনকারীরা। তবে কারণ যাই হোক না কেন ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের জন্মস্থান গোঘাটের উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে পশ্চিমবাংলার পর্যটন মানচিত্রে হুগলি জেলা বিশেষ জায়গা করে নেবে।
নবীনতর পূর্বতন